বৃদ্ধি ও বিকাশ (Growth & Development) | WB TET CDP Notes in Bengali | গল্পের মাধ্যমে শিখুন
WB TET Primary-র জন্য বৃদ্ধি ও বিকাশ অধ্যায় সম্পূর্ণ বাংলায়। গল্পের মাধ্যমে সহজ ব্যাখ্যা, সংজ্ঞা, পার্থক্য, নীতিসমূহ, বিকাশের স্তর ও MCQ। শূন্য থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠুন।
বৃদ্ধি ও বিকাশের ধারণা (Concept of Growth and Development)
ব্যক্তিজীবনের মূল লক্ষ্য হল পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজন। পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনে যে দুটি উপাদানের বিশেষ ভূমিকা দেখা যায়, তা হল বৃদ্ধি ও বিকাশ।
Arnold Jones-এর মতে, দেহের উচ্চতা ও ওজন বেড়ে যাওয়াকে বৃদ্ধি বলে। যেমন—শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি, হাতের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ইত্যাদি।
বিকাশ হল শিশুর মধ্যে ক্রমপরিবর্তন, যা শুধুমাত্র শারীরিক পরিবর্তনে সীমাবদ্ধ থাকে না। ক্রিয়াগত (Functional) পরিবর্তনও আবশ্যিক শর্ত, যেমন—কোনো কিছু করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া, নির্ভুলভাবে কর্মসম্পাদন করতে পারা ইত্যাদি।
মূল কথা:
বিকাশ অবশ্যই বৃদ্ধির ফলে সম্ভব কিন্তু বৃদ্ধিই বিকাশ নয়।
বৃদ্ধির ধারণা (Concept of Growth)
বৃদ্ধি বলতে সাধারণভাবে আমরা দৈহিক আচরণগত পরিবর্তনকে বুঝি। অর্থাৎ এই অর্থে বৃদ্ধি এক ধরনের জৈবিক পরিণমন কারণ জীবনের ধর্ম হচ্ছে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়া। মনোবিদরা বৃদ্ধি বলতে শুধুমাত্র আকার ও আয়তনের পরিবর্তনকেই বোঝায়।
শিশুর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অতি শৈশবকালীন মেদ, চুল, দাঁত ইত্যাদি থাকে না, পরিবর্তে নতুন বৈশিষ্ট্য যেমন—মুখমণ্ডলে দাড়ি, গোঁফ ইত্যাদি দেখা যায়। শৈশব ও বাল্যকালে দেহের উচ্চতা এবং ওজন ক্রমশ অধিক হয় এবং পেশিগুলি সবল হয়। এই ধরনের পরিবর্তনকে বৃদ্ধি বলে।
বর্তমানে বৃদ্ধিকে আরও বিজ্ঞানসম্মতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে—বৃদ্ধি হল ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতিমূলক পরিবর্তন।
Arnold Jones
দেহের উচ্চতা ও ওজন বেড়ে যাওয়াকে বৃদ্ধি বলে।
Hurlock
বৃদ্ধি হল আনুপাতিক হারে আকারের পরিবর্তন, পুরোনো বৈশিষ্ট্য লোপ পেয়ে নতুন বৈশিষ্ট্যের অর্জন।
Crow and Crow
বৃদ্ধি হল কাঠামোগত ও জৈবিক পরিবর্তন।
বিকাশের ধারণা (Concept of Development)
বিকাশ বলতে শিশুর গুণগত পরিবর্তনকে বোঝায়, যা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে চলে। বিকাশ হল নিয়ম অনুযায়ী সুষম এবং ক্রমোন্নত পরিবর্তন। ক্রমোন্নত বলতে বোঝায় ইতিবাচক একমুখী পরিবর্তন অর্থাৎ সর্বদাই এগিয়ে যাওয়া পিছিয়ে যাওয়া নয়।
Breckenridge এবং Vincent-এর মতে—ব্যক্তির কার্যসম্পাদনের উৎকর্ষতা ক্রমশ উন্নত করার জন্য ব্যক্তির মধ্যে যে ক্ষমতার আবির্ভাব এবং সম্প্রসারণ ঘটে তাকে বিকাশ বলে।
হারলক (Hurlock) বলেছেন—বিকাশ হল সারা জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া, যার সঙ্গে পরিণমন ও অভিজ্ঞতা যুক্ত থাকে। বিকাশের শুরু হয় মাতৃগর্ভে এবং সমাপ্তি ঘটে মৃত্যুর সঙ্গে।
বৃদ্ধি ও বিকাশের পার্থক্য (Difference between Growth and Development)
| বৃদ্ধি (Growth) | বিকাশ (Development) |
|---|---|
| বৃদ্ধি হল জৈবিক পরিবর্তন। | বিকাশ প্রক্রিয়া ব্যক্তির সব ধরনের পরিবর্তনকে বোঝায়। |
| বৃদ্ধি হল কারণ। | বিকাশ হল ফলাফল। |
| এটি ব্যক্তির দেহের আকার ও আয়তনের পরিবর্তন। | এটি ব্যক্তির সামগ্রিক পরিবর্তন। |
| এটি পরিমাণগত পরিবর্তন। | এটি গুণগত পরিবর্তন। |
| বৃদ্ধি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া নয়। | বিকাশ জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। |
| পরিণমন সম্পন্ন হলে বৃদ্ধি থেমে যায়। | বিকাশ সমগ্র জীবনব্যাপী স্থায়ী। |
| বৃদ্ধি সাংগঠনিক নয়। | বিকাশ সাংগঠনিক। |
| বৃদ্ধি বিকাশের একটি অংশ। | বিকাশ বৃদ্ধি অপেক্ষা ব্যাপক। |
| বৃদ্ধি সরল প্রক্রিয়া। | বিকাশ জটিল প্রক্রিয়া। |
| বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণযোগ্য (বাহ্যিক পরিবর্তন)। | বিকাশ অভ্যন্তরীণ, বাহ্যিকভাবে পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষ নয়। |
| বিকাশ ব্যতীত বৃদ্ধি সম্ভব নয়। | বৃদ্ধি ব্যতীত বিকাশ সম্ভব। |
| বৃদ্ধি নৈর্ব্যক্তিক। | বিকাশ ব্যক্তিকেন্দ্রিক। |
| নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত ঘটে। | আমৃত্যু ঘটে। |
বৃদ্ধি ও বিকাশের সম্পর্ক (Relationship)
বৃদ্ধি ও বিকাশ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। বৃদ্ধি ছাড়া বিকাশ সম্ভব নয়। বৃদ্ধি হল দৈহিক আকার-আকৃতির সর্বাঙ্গীণ পরিবর্তন।
আমরা জানি দৈহিক বিকাশের মতো মানসিক বিকাশ ঘটে পর্যায়ক্রমে ছন্দবদ্ধভাবে। প্রতিটি শিশু এক একক সত্তাবিশিষ্ট এবং প্রতিটি শিশুর মধ্যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বর্তমান।
বৃদ্ধির সাধারণ বৈশিষ্ট্য (General Characteristics of Growth)
- বংশধারা ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার ফল: অধিকাংশ মনোবিদ মনে করেন বৃদ্ধি বংশধারা ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার ফল।
- বিভিন্ন বয়সে বৃদ্ধির হার বিভিন্ন: জন্ম থেকে ২-২.৫ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধির হার খুব বেশি। ২.৫ বছর থেকে বয়ঃসন্ধিক্ষণের পূর্ব পর্যন্ত হার হ্রাস পায়। বয়ঃসন্ধিক্ষণের কিছু পূর্বে পুনরায় দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে।
- বৃদ্ধি ও অনুশীলন: উপযুক্ত বৃদ্ধির জন্য অনুশীলনের ধনাত্মক প্রভাব প্রমাণিত হয়েছে (হিলগার্ড-1932; বুনার-1963)।
- শিশুদের মধ্যে বৃদ্ধির হারে পার্থক্য: কিছু শিশু দ্রুতগতিতে, কোনো শিশু শ্লথগতিতে বৃদ্ধি পায়।
- বৃদ্ধির সমাহার বজায় থাকে: যে শিশু বৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকে, সারাজীবনই সে এগিয়ে থাকে।
- বৃদ্ধি নিরবচ্ছিন্ন ও ধারাবাহিক: কোনো বয়সে থেমে গিয়ে আবার শুরু হয় না।
বিকাশের সাধারণ বৈশিষ্ট্য (General Characteristics of Development)
- বিকাশ পরিবর্তন ঘটায়: গুণগত ও পরিমাণগত পার্থক্যের কারণ, একমুখী ও ক্রমোন্নত।
- শিখনের ফলে বিকাশ: Bayer-এর মতে আচরণের পরিবর্তন বা শিখনের ফলে বিকাশ ঘটে।
- বিকাশ হল সংশ্লেষণ: পিয়াজে-র মতে বিকাশের ৪টি প্রক্রিয়া—(i) পরিণমন; (ii) অভিজ্ঞতা; (iii) মানসিক যোগাযোগ; (iv) ভারসাম্যকরণ।
- বিকাশ নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া: মাতৃগর্ভ থেকে আমৃত্যু চলতে থাকে।
- পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত: দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, প্রাক্ষোভিক বিকাশ পরস্পর নির্ভরশীল।
- সামগ্রিক থেকে বিশেষের দিকে: শিশু প্রথমে সমস্ত হাত ব্যবহার করে, পরে আঙুল দিয়ে ধরে।
- লিঙ্গগত পার্থক্য: বালিকারা বালকদের থেকে আগে পরিণত হয়।
- প্রথম দিকের বিকাশ অধিক তাৎপর্যপূর্ণ।
- ব্যক্তিগত পার্থক্য: ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে, একই ব্যক্তির বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন হারে বিকাশ।
- অবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া: প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন হচ্ছে।
- সংযোজনশীল: যে-কোনো পর্যায় পূর্ববর্তী সকল পর্যায়ের সমষ্টিগত ফল।
- সামঞ্জস্যতা: বিকাশের ধারা সবসময় সামঞ্জস্য বজায় রাখে।
- সাধারণ থেকে বিশেষ: শিশু প্রথমে হাত-পা ছোড়ে, পরে নির্দিষ্ট অঙ্গ ব্যবহার করে।
- জটিল প্রক্রিয়া: বিভিন্ন সত্তা সমহারে বিকশিত হয় না।
- ঐক্য বজায় রাখে: এক ধরনের বিকাশ অন্য ধরনের বিকাশে সহায়তা করে।
- স্বাতন্ত্র্যতা: কোনো শিশুর বিকাশের ধারা অপর শিশুর মতো নয়।
- বংশগতি ও পরিবেশের ফল: দুটি শর্তই বিকাশের কারণ।
বৃদ্ধি ও বিকাশের স্তর ও ক্রমপর্যায় (Stages and Sequence)
Arnold Jones-এর শ্রেণিবিভাগ (৪টি স্তর)
জন্ম-৫ বছর
৫-১২ বছর
১২-১৮ বছর
১৮+ বছর
Pikunas-এর শ্রেণিবিভাগ (১০টি স্তর)
| স্তর | সময়কাল |
|---|---|
| প্রাক-জন্মস্তর | গর্ভসঞ্চার থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত |
| সদ্যোজাত স্তর | জন্মের পর প্রথম ৪ সপ্তাহ |
| প্রথম শৈশব | ১ মাস – ১.৫ বছর |
| শৈশবের অন্তিম স্তর | ১.৫ – ২.৫ বছর |
| প্রাথমিক বাল্যকাল | ২.৫ – ৫ বছর |
| মধ্যম বাল্যকাল | ৫ – ৯ বছর |
| প্রান্তীয় বাল্যকাল | ৯ – ১২ বছর |
| যৌবনাগমের স্তর | ১২ – ২১ বছর |
| প্রাপ্তবয়স্ক স্তর | ২১ – ৭০ বছর |
| বার্ধক্য স্তর | ৭০+ বছর |
Rousseau-এর শিক্ষাগত শ্রেণিবিভাগ
শিক্ষার স্তর অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ
| শিক্ষাস্তর | সময়কাল | উপবিভাগ |
|---|---|---|
| প্রাক্-প্রাথমিক | ৩-৫ বছর | — |
| প্রাথমিক | ৬-১৪ বছর | নিম্ন (৬-১১), উচ্চ (১১-১৪) |
| মাধ্যমিক | ১৪-১৮ বছর | নিম্ন (১৪-১৬), উচ্চমাধ্যমিক (১৬-১৮) |
| উচ্চশিক্ষা | ১৮-২১ বছর | — |
শৈশবকাল (Infancy) – জন্ম থেকে ৫/৬ বছর
প্রাক্-শৈশব (জন্ম-৩ বছর):
- দৈহিক বিকাশের হার খুব বেশি, মাথার তুলনায় দেহকাণ্ডের বিকাশ বেশি।
- আত্মসচেতনতার বিকাশ, কান্না থেকে ভাষার বিকাশ, ৩ বছরে প্রায় ৯০০ শব্দ আয়ত্ত।
- প্রক্ষোভের পৃথকীকরণ (আনন্দ, রাগ, ভয়, ভালোবাসা)।
- পরিবারের সদস্যদের প্রতি সামাজিক প্রতিক্রিয়া শুরু।
প্রান্তীয়-শৈশব (৩-৬ বছর):
- পেশির দ্রুত বিকাশ, দৌড়ানো, লাফানো, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা।
- শব্দভান্ডার প্রায় ২০০০, কল্পনাশক্তির বিকাশ, কৌতূহল ও অনুকরণ প্রবণতা।
- সঙ্গী-সাথিদের প্রতি ভালোবাসা, সেন্টিমেন্টের বিকাশ।
- প্রতিবেশীদের নিয়ে সামাজিক ক্ষেত্র বিস্তৃত, বন্ধুত্বের বিকাশ।
ভাষার বিকাশ (Language Development)
বাল্যকাল (Childhood) – ৬-১১ বছর
প্রাক্-বাল্যকাল (৬-৮ বছর):
- দৈহিক বিকাশের হার কমে যায়, মস্তিষ্ক স্বাভাবিক অবস্থায়।
- স্মৃতির প্রখরতা বাড়ে, কল্পনাবিলাস, বাস্তব-কল্পিত পার্থক্য করতে পারে না।
- প্রক্ষোভমূলক আচরণ দলের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত।
প্রান্তীয়-বাল্যকাল (৮-১১ বছর):
- দেহের নিম্নাঙ্গের বিকাশ, মস্তিষ্ক পরিপূর্ণ, সূক্ষ্ম পেশির বিকাশ।
- বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক ঘটনায় কৌতূহল, চিন্তন ও যুক্তিশক্তি অপূর্ণ।
- দলগত আনুগত্য প্রবল, বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী।
কৈশোরকাল (Adolescence) – ১১-১৮ বছর
প্রাক্-কৈশোর (১১-১৪ বছর):
- অস্থি-পেশিতন্ত্রের দ্রুত বিকাশ, যৌন অঙ্গের বৃদ্ধি, গলার স্বর পরিবর্তন।
- বিমূর্ত ধারণা গঠন, যুক্তি করার প্রবণতা।
- প্রাক্ষোভিক প্রতিক্রিয়ার অসাম্য, হীনম্মন্যতা, লজ্জাবোধ।
প্রান্তীয়-কৈশোর (১৫-১৮ বছর):
- দৈহিক পূর্ণতা, যৌনগ্রন্থির ক্রিয়া নিয়মিত।
- বিমূর্ত চিন্তনের পূর্ণতা, ধারণার সর্বোচ্চ বিকাশ।
- যুথকধতা প্রবৃত্তি, স্থায়ী বন্ধুত্ব, মূল্যবোধের বিকাশ।
প্রাপ্তবয়স্ককাল (Adulthood) – ১৮-৬০ বছর
| স্তর | বয়স | মূল বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| প্রাক্-প্রাপ্তবয়স্ক | ১৮-৩০ | শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি, বাস্তবসম্মত চিন্তা, অন্তরঙ্গতা ও বিচ্ছিন্নতার দ্বন্দ্ব |
| মধ্য প্রাপ্তবয়স্ক | ৩১-৫০ | শক্তি হ্রাস, অগ্রমুখিতা ও বন্ধতার দ্বন্দ্ব, পরবর্তী প্রজন্মকে নির্দেশনা |
| প্রান্তীয় প্রাপ্তবয়স্ক | ৫১-৬০ | বয়সের ছাপ স্পষ্ট, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ হ্রাস, একাকীত্ব বৃদ্ধি |
পরিণমন (Maturation)
যে পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তির কোনো অভিজ্ঞতা বা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না, তাকেই বলা হয় পরিণমন।
Kolesnick-এর মতে—জন্মগত প্রবণতার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে ব্যক্তির আচরণের পরিমাণগত ও গুণগত পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হল পরিণমন।
Gesell
স্নায়ুতন্ত্র নিজস্ব অন্তর্জাত বৈশিষ্ট্য অনুসারে বৃদ্ধি পায়। এই স্বকীয় ও অন্তর্জাত বৃদ্ধিই হল পরিণমন।
B.F. Skinner
পরিবেশগত অবস্থার ব্যাপক তারতম্য থাকলেও মোটামুটি নিয়মিতভাবে সংঘটিত বিকাশই পরিণমন।
পরিণমনের বৈশিষ্ট্য
- সর্বজনীন প্রক্রিয়া: সকল প্রাণীর মধ্যে লক্ষ করা যায়।
- চাহিদা নিরপেক্ষ: ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের চাহিদার উপর নির্ভর করে না।
- জীবনব্যাপী নয়: একটি নির্দিষ্ট বয়সে শেষ হয়।
- অনুশীলন নিরপেক্ষ: বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়াই চলতে থাকে।
- বংশগতি নিয়ন্ত্রিত: বংশ-পরম্পরায় অর্জিত বৈশিষ্ট্যের প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত।
১০০ MCQ প্র্যাকটিস
প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর ক্লিক করুন—সঠিক হলে সবুজ, ভুল হলে লাল। সাথে পাবেন বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
Comments (0)
Have a question? Leave a reply
No comments yet. Have a doubt? Ask below!